রাজশাহীর পুঠিয়ায় দিনের বেলায় দুই শিক্ষক ও এক প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার গাং ধোপাপাড়ার হিন্দুপাড়া ও কারিগরপাড়া এলাকায় পৃথক এসব ঘটনা ঘটে। এতে এক শিক্ষিকার ৫ থেকে ৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও প্রায় ৪৪ হাজার টাকা চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অপর এক শিক্ষকের বাসা থেকে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা চুরি যাওয়ার দাবি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, দিনের বেলায় বাড়িগুলো ফাঁকা থাকার সুযোগে চোরেরা তালা খুলে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে।
গাং ধোপাপাড়ার হিন্দুপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও শিক্ষক সুলতা রানী জানান, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সকালে তিনি বিদ্যালয়ে চলে যান। বাড়িতে তখন অন্য কোনো সদস্য ছিলেন না। বিকেলে ফিরে তিনি দেখতে পান ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো। পরে ড্রয়ার খুলে দেখেন, সেখানে রাখা প্রায় ৫ থেকে ৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নেই।
সুলতা রানী বলেন, “এই বাসায় থাকতে এখন নিজেকে সম্পূর্ণ অনিরাপদ মনে হচ্ছে। সকালে স্কুলে চলে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি সব এলোমেলো। স্বর্ণ ও টাকা নেই। আমি খুব আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।”
একই উপজেলার ধোপাপাড়া কারিগরপাড়া এলাকায় শিক্ষক খলিলুর রহমানের বাসা থেকেও দিনের বেলায় প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় তিনি এখনো থানায় কোনো অভিযোগ করেননি।
এদিকে সিঙ্গাপুরপ্রবাসী পরেশ কুমারের বাড়িতেও একই দিন তালা খুলে প্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। বাড়িতে কেউ না থাকায় চোরেরা কী কী নিয়ে গেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন পরেশ কুমারের স্ত্রী তৃপ্তি রানী।
তিনি জানান, এর আগেও তাদের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু ভয় ও আতঙ্কের কারণে সে সময় থানায় অভিযোগ করা হয়নি।
তৃপ্তি রানী বলেন, “বাড়ির তালা খুলে ভেতরে ঢুকে ট্রাংক থেকে লাগেজ বের করে খাটের ওপর রাখা হয়েছে। এখনো বুঝতে পারছি না কী কী হারিয়েছে। এর আগেও বাড়ি থেকে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুঠিয়া উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েছে। অনেক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ না করায় প্রকৃত ঘটনার সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে তাদের ধারণা। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক বাড়ছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার কথা শুনে আমি নিজেই সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করেছি। এখনো মামলা হয়নি। তারা থানায় আসতে চেয়েছেন। অন্যরা এখনো আমাদের কিছু জানায়নি বা থানায় আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, দিনের বেলায় বসতবাড়িতে একের পর এক চুরির ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং চুরি-ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।#
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার গাং ধোপাপাড়ার হিন্দুপাড়া ও কারিগরপাড়া এলাকায় পৃথক এসব ঘটনা ঘটে। এতে এক শিক্ষিকার ৫ থেকে ৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও প্রায় ৪৪ হাজার টাকা চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অপর এক শিক্ষকের বাসা থেকে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা চুরি যাওয়ার দাবি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, দিনের বেলায় বাড়িগুলো ফাঁকা থাকার সুযোগে চোরেরা তালা খুলে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে।
গাং ধোপাপাড়ার হিন্দুপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও শিক্ষক সুলতা রানী জানান, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সকালে তিনি বিদ্যালয়ে চলে যান। বাড়িতে তখন অন্য কোনো সদস্য ছিলেন না। বিকেলে ফিরে তিনি দেখতে পান ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো। পরে ড্রয়ার খুলে দেখেন, সেখানে রাখা প্রায় ৫ থেকে ৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নেই।
সুলতা রানী বলেন, “এই বাসায় থাকতে এখন নিজেকে সম্পূর্ণ অনিরাপদ মনে হচ্ছে। সকালে স্কুলে চলে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি সব এলোমেলো। স্বর্ণ ও টাকা নেই। আমি খুব আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।”
একই উপজেলার ধোপাপাড়া কারিগরপাড়া এলাকায় শিক্ষক খলিলুর রহমানের বাসা থেকেও দিনের বেলায় প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় তিনি এখনো থানায় কোনো অভিযোগ করেননি।
এদিকে সিঙ্গাপুরপ্রবাসী পরেশ কুমারের বাড়িতেও একই দিন তালা খুলে প্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। বাড়িতে কেউ না থাকায় চোরেরা কী কী নিয়ে গেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন পরেশ কুমারের স্ত্রী তৃপ্তি রানী।
তিনি জানান, এর আগেও তাদের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু ভয় ও আতঙ্কের কারণে সে সময় থানায় অভিযোগ করা হয়নি।
তৃপ্তি রানী বলেন, “বাড়ির তালা খুলে ভেতরে ঢুকে ট্রাংক থেকে লাগেজ বের করে খাটের ওপর রাখা হয়েছে। এখনো বুঝতে পারছি না কী কী হারিয়েছে। এর আগেও বাড়ি থেকে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুঠিয়া উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েছে। অনেক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ না করায় প্রকৃত ঘটনার সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে তাদের ধারণা। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক বাড়ছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার কথা শুনে আমি নিজেই সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করেছি। এখনো মামলা হয়নি। তারা থানায় আসতে চেয়েছেন। অন্যরা এখনো আমাদের কিছু জানায়নি বা থানায় আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, দিনের বেলায় বসতবাড়িতে একের পর এক চুরির ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং চুরি-ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।#
আরিফুল হক (রুবেল),